গ্যাবিসল বা জিরোফ্লাক্স সিরাপ কিসের ঔষধ

জিরোফ্লাক্স, গ্যাবিসল বা গ্যাবিফ্লাক্স সিরাপগুলো ভিন্ন নামের একই ঔষধ। যা সোডিয়াম এলজিনেট, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ওরাল সাসপেনশন প্রতি ১০ মি.লি. সাসপেনশনে রয়েছে সোডিয়াম এলজিনেট বিপি ৫০০ মি.গ্রা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বিপি ২৬৭ মি.গ্রা. এবং ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ইউএসপি ১৬০ মি.গ্রা.।

গ্যাবিসল সিরাপ কিভাবে কাজ করে

সোডিয়াম এলজিনেট গ্যাস্ট্রিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে এবং প্রতিরোধক ভাসমান জেল তৈরি করে যা এসিডের পকেটকে বাধা দেয়। ক্যালসিয়াম কার্বোনেট প্যাট্রিক এসিডকে নিষ্ক্রিয় করে এবং ক্যালসিয়াম আয়নগুলি এলজিনেটের সাথে আবদ্ধ হয়ে জেলকে শক্তিশালী করে। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট, ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের এসিডকে নিষ্ক্রিয় করার প্রবণতা বাড়ায় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদন করে যা এলজিনেট জেলে আবদ্ধ হয়ে জেলকে ভাসতে সহায়তা করে।

জিরোফ্লাক্স সিরাপ এর কাজ কি

গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স, অনুরোগ, গ্যাস্ট্রিক রিফ্লাক্সের সাথে সংযুক্ত পেট ফাঁপা এবং গর্ভাবস্থায় অনুরোগ।

গ্যাবিসল সিরাপ খাওয়ার নিয়ম

প্রাপ্ত বয়স্ক ও ১২ বছরের অধিক শিশুদের ক্ষেত্রেঃ ১০-২০ মি.লি. করে দিনে সর্বোচ্চ চার বার, খাবার পর ও শোবার সময়।

৬-১২ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রেঃ ৫-১০ মি.লি. করে দিনে সর্বোচ্চ চার বার, খাবার পর ও শোবার সময়। ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দেশিত নয়।
বয়স্কদের ক্ষেত্রেঃ এক্ষেত্রে ভোজ পরিবর্তন করার কোনও প্রয়োজন নেই।

গ্যাবিসল সিরাপের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

গ্যাবিসল সাসপেনশন গ্রহণের ফলে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যেমন: কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব হওয়া ইত্যাদি।

গ্যাবিফ্লাক্স সিরাপের প্রতিনির্দেশনা

সক্রিয় উপাদানগুলো বা অন্যান্য উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে গ্যাবিফ্লাক্স সাসপেনশন প্রতি নির্দেশিত।

জিরোফ্লাক্স সেবনে সতর্কতা

জিরোক্লারাস সাসপেনশনে অল্প পরিমাণে সোডিয়াম এবং ক্যালসিয়াম থাকে। কিডনি বা হৃদরোগের রোগীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কারণ উল্লেখিত গুলো এই রোগগুলোর চিকিৎসা ব্যাহত করতে পারে

গ্যাবিসল সিরাপের আন্তঃক্রিয়া

জিরোফ্লাক্স সাসপেনশন এবং অন্যান্য ওষুধ, বিশেষ করে টেট্রাসাইক্লিনস, ডিপোক্সিন, ফ্লুরোকুইনোলন আয়রন লবণ, কিটোকোনাজোল, নিউরোল্যান্টিক্‌স, থাইরয়েড হরমোনস, পেনিসিলামাইন, বিটা-ব্লকারস (অ্যাটেনলল, মেটোপ্রোলল, প্রোপ্রাজল), গ্লুকোকটিকয়েড, ক্লোরোকুইন এবং বিসফসফোনেটস (ডাইফসফোনেটস), একসাথে খাওয়ার সময় খাবারের মধ্যে ২ ঘণ্টা সময় ব্যবধান বিবেচনা করা উচিত।

অতিমাত্রা- অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণের ক্ষেত্রে উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালীন জিরোফ্লাক্স এর ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে এটি গ্রহণের সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

অর্গানিক পরামর্শ– ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লাগাদার কোন সেবন করবেননা। প্রয়োজনে ভেষজ ঔষধের সাহায্যে এসব রোগ থেকে মুক্তির চেষ্টা করতে পারেন। হারবাল ষ্টোর এ অনেক ভেষজ পণ্যের শপ আছে খুঁজে দেখুন আপনার প্রয়োজনীয় আইটেমটি পান কিনা।

আরো পড়ুন- পারমিন ক্রীম কেন ব্যবহার করে জেনে নিন

Leave a Comment

হারবাল ঔষধের জন্য ক্লিক করুন