পোগো সিরাপ কিসের ঔষধ ও খাওয়ার নিয়ম

পগো হলো হেল্থ কেয়ার ফার্মার মাল্টি ভিটামিন ও কড লিভার অয়েল সিরাপ। যা শিশুদেরকে দেয়া হয় বিভিন্ন উপসর্গের উপর ভিত্তি করে। পোগো সিরাপ কি কাজ করে, কেন খায়, উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম জানিয়ে দিবো।

পোগো সিরাপ এর উপকরণ কি

পোগো সিরাপে প্রতি ৫ মিলি বা ১ চামচে ভিটামিন-এ- ২০০০ আইইউ, ভিটামিন বি১ – ০.৭০ মিগ্রা, বি২-০.৮৫ মিগ্রা, বি৬- ০.৩৫ মিগ্রা, ভিটামিন – সি – ১৭.৫০ মিগ্রা, ভিটামিন ডি – ২০০ আই ইউ, ভিটামিন ই – ১.৫০ মিগ্রা, নিকোটিনামাইট- ৯.০০ মিগ্রা, কড লিভার অয়েল – ১০০ মিগ্রা।

পোগো সিরাপ এর কাজ কি

পোগো সিরাপে শিশুদের জন্য ৮ টি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও কড মাছের লিভার থেকে আহরিত কড লিভার অয়েল দেয়া আছে। যা শিশুদের বাড়তি সুরক্ষা দেয় এবং শক্ত হাড় নিয়ে বেড়ে উঠা ও সুস্থ থাকার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যশক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করে।

কড লিভার অয়েল এর উপকারিতা

কড লিভার অয়েল এর মধ্যে আছে ভিটামিন এ, ডি এবং ইপিএ,ও ডিএইচএ। রোগ প্রতিরোধ, অস্থি বৃদ্ধি, নাইট ভিশন, কোষের বৃদ্ধি, টেস্টিকিউলার ও ওভারিয়ন ফাংশনে ভিটামিন-এ এর প্রয়োজন হয়। ক্যালসিয়াম শোষণ ও ব্যবহার এবং হাড়েঁর বৃদ্ধিতে ভিটামিন ডি প্রয়োজন হয়। ইপিএ ও ডিএইচএ হলো ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যেগুলো শরীরে প্রোস্টাগ্লানডিনে রুপান্তরিত হয়।

হরমোনের কাজের উপর প্রোস্টাগ্লানডিনের নিয়ন্ত্রণ করার প্রভাব থাকায় বিভিন্ন ধরনের শারীরিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব পরে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড অস্ট্রিওঅর্থাইটিস ও রিওম্যাটিক অর্থাইটিসের উপসর্গ দূর করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও রক্ত সঞ্চালন সচল রাখে। অনেকের ধারনা ইপিএ ও ডিএইচএ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ভূমিষ্ট হয়নাই এমন শিশুর জন্যও ডিএইচএ প্রয়োজন হয়।

পগো সিরাপ কিসের ঔষধ

পগো সিরাপ বাড়ন্ত বৃদ্ধির পাশাপাশি শিশুর গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সমুহের বৃদ্ধি এবং শারিরীক কর্মক্ষমতা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। ভিটামিনের অভাব পুরন রোগা বা রোগের কারনে ক্ষুধামন্দা ও শারীরিক দূর্বলতা দূর করে। এন্ট্রি অক্সিডেন্ট বৃদ্ধি ও ত্বক, চুল, নখ, দাঁত, হাড়ঁ, চোখ ও স্নায়ুতন্ত্র গঠনে সহায়তা করে। কাশি, সর্দি, বুক, এবং ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ থেকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে। মস্তিষ্ক গঠনে খুবই সহায়ক।

পগো সিরাপ খাওয়ার নিয়ম

পগো সিরাপ খাওয়ার নিয়ম হলো-
১-১২ মাস বয়সের শিশুদের জন্য- প্রতিদিন আধা চামচ বা ২.৫০ মিলি।
১ – ৪ বছরের শিশুদের জন্য – প্রতিদিন ১ চামচ বা ৫ মিলি।
৪ বছরের বেশী শিশুদের জন্য – দেড় চামচ বা ৭.৫ মিলি প্রতিদিন ১ বার।
প্রাপ্ত বয়স্ক হলে- প্রতিদিন ২ চামচ বা ১০ মিলি খাওয়ার পর খেতে পারবেন।

পগো সিরাপ সেবনে সতর্কতা

লেভোডোপা চিকিৎসায়, হাইপারক্যালসিমিয়া, গ্লকোজ-৬-ফসফেট ডিহাড্রোজিনেজ ঘাটতি এবং যেসমস্ত রোগী এই ঔষধের যেকোন সক্রিয় উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীল তাদেরকে দেয়া যাবে না।
যেহেতু পগো সিরাপে থাকা ঔষধ শরীরে জমা থাকতে পারে, তাই মাত্রাতিরিক্ত সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে। অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে।

পগো সিরাপ এর মতো আরও কিছু সিরাপের নাম

Bextram kids, cod plus, Dora kid, Filwel kids, Heptaseas, junivit, kiddy, kidgro, multiseas, nineseas,
বাংলায় যদি লিখি-
বেক্সট্রাম কিডস, কড প্লাস, ডোরা কিড, ফিলওয়েল কিডস, হেপটাসিজ, জোনিভিট, কিডডি, কিডগ্রো, মাল্টিসিজ, নাইনসিজ ইত্যাদি।

এখানে যেসব ঔষধের নাম লেখা হলো- সবগুলোই ভাল মানের ঔষধ। শুধু একজন রেজিস্ট্রার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই এসব ঔষধ সেবন করতে দিবেন। কোন ঔষধই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা উচিৎ নয়। অন্য কোন বিষয়ে জানতে কমেন্ট করুন।

আরও পড়ুন – ওমিপ্রাজল কিসের ঔষধ ও খাওয়ার নিয়ম সহ বিস্তারিত

Leave a Comment

হারবাল ঔষধের জন্য ক্লিক করুন